Self Confidence-আত্নবিশ্বাস। আসুন আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কিছু সহজ উপায় জানার চেষ্টা করে।


আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে TrickBD তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে TrickBD তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই TrickBD এর সাথেই থাকুন ।

Self Confidence-আত্নবিশ্বাস। আসুন আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কিছু সহজ উপায় জানার চেষ্টা করে।


লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান আমরা সবাই একটি বাক্যের সাথে বেশ পরিচিত বাক্যটি হলো পরিশ্রম সাফল্যের
চাবিকাঠি। এই বাক্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করার কোনো কারণ থাকতে পারে না। কেননা পরিশ্রম না করলে কখনোই
সফলতা আসতে পারে না। তবে এই পরিশ্রম করার জন্য আপনার যা দরকার তা হলো আত্মবিশ্বাস। আপনি এখন যেই কাজ করছেন সেই কাজের প্রতি যদি আত্মবিশ্বাসী না থাকে তবে কখনোই পরিশ্রম করতে পারবেন না।

আত্মবিশ্বাস মানে হচ্ছে নিজেকে জানা নিজের দক্ষতা, শক্তি, দুর্বলতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখা। একই সাথে নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব রাখা। আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থাকলে আপনার জন্য থাকা সম্ভব সুযোগগুলো হাতছাড়া হতে পারে। জীবনের যেকোনো সেক্টরের সফল হতে চাইলে সবার আগে আমাদেরকে আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে হবে। আত্মবিশ্বাস আপনাকে পরিশ্রমের থেকে পরিচালিত করবে আর পরিশ্রম আপনাকে সাফল্যের দিকে নিয়ে
যাবে। আসুন আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কিছু সহজ উপায় জানার চেষ্টা করে।

(১) নিজেকে কারো তুলনা
করবেন না।

নিজের মধ্যে ভালো কিছু ঘটাতে চাইলে আমাদের উচিত হবে অন্যের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া। কখনোই নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করা যাবেনা। যখন আপনি অন্যের সাথে নিজের তুলনা করবেন। তখনই আপনি হতাশ হবেন। যেমন ধরুন আপনি যার সাথে নিজের তুলনা করলেন তিনি আপনার থেকে এগিয়ে রয়েছে। এর ফলে আপনি হতাশ হবেন। আবার ধরুন যার সাথে নিজের তুলনা করলেন তিনি আপনার থেকে পিছিয়ে রয়েছে যার ফলে আপনার মধ্যে অধিক পরিমাণে আত্মতৃপ্তি চলে আসবে।

যার ফলে নিজেকে আরো উন্নত করা থেকে পিছিয়ে যাবেন। আপনি যদি ১০০ বছরে চেষ্টা করেন তাহলে কখনোই কাউকে শতভাগ অনুকরণ করা যাবে না ঠিক তেমনি অন্যকেও যদি আপনার মতন হওয়ার চেষ্টা করে তবে তিনিও আপনার মতন হতে পারবে না। তাই আপনি যদি সত্যিকার অর্থে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চান তাহলে কখনোই অন্যের সাথে নিজের তুলনা করা যাবেনা।

(২) লক্ষ নির্ধারণ।

আত্মবিশ্বাস বাড়াতে স্মার্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আপনি যেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তা অবশ্যই নির্দিষ্ট পরিমাপ যোগ্য, অর্জনযোগ্য, বাস্তববাদী এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।নিজের সাথে কঠোর হয়ে এমন কোন অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত হবে না। যা আপনার আত্মবিশ্বাস ফাটল ধরাতে পারেন।

(৩) পজিটিভ চিন্তা করা।

আত্মবিশ্বাসী মানুষ সবসময় ইতিবাচক চিন্তারঅধিকারী হয়ে থাকে। আত্মবিশ্বাসের আলোতে নিজেকে আলোকিত করতে চাইলে সব সময় পজিটিভ চিন্তা করতে হবে। পজিটিভ চিন্তা করতে পারা অনেক বড় একটি দক্ষতার। যা শুধুমাত্র আপনাকে আত্মবিশ্বাসী বানাবে না আপনার জীবনের প্রতিটি ধাপে সফল করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।

(৪) নিজেকে পুরস্কৃত করুন।

আপনার জীবনে ঘটে যেকোন ভালো মুহূর্তের জন্য নিজেকে পুরস্কৃত করা উচিত। সাফল্য বড় হোক কিংবা ছোট হোক। আপনার উচিত হবে প্রতিটি সাফল্যকে সমানভাবে সাদরে গ্রহণ করা। নিজের ছোট সাফল্যকে যখন বড় গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করতে পারবেন তখন বড় সাফল্য অর্জন করা তুলনা মূলক সহজ হয়ে যাবে।

(৫) আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নিজের সাথে নিজে কথা বলুন।

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন আমি আপনাকে পাগল হওয়ার বুদ্ধি দিচ্ছে নিজের সাথে কথা বলা পাগলের কাজ হল আমাদের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা পালন করবেন। যে কোন কাজ শুরু করার আগে নিজের সাথে কথা বলে নিন নিজেকে বলুন যে আপনি পারবেন। নিজের ভিতর ঘুমন্ত মানুষটিকে জাগিয়ে দিন আত্মবিশ্বাস হুহু করে বাড়বে।

(৬) ভুল থেকে শিক্ষা নিন।

অনেক সময় নানা ধরনের ভুল আমাদের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির কারণ হয়ে যায় ভুল করা দোষের কিছু না কিন্তু সেই ভুল বারবার বলে আপনাকে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। কেন ভুল হয়েছে কোথায় আপনার কমতি ছিল তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। আপনার করা ভুলটি আপনার অপরাধ হিসেবে না নিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা নিন এবং সেই শিক্ষা আপনাকে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ। আজকে এ পর্যন্তই সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবে আল্লাহ হাফেজ।

আপনার ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল প্রয়োজন হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ফেসবুকে আমি





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button